মূল অংশে যান
Shakhawat Aliউন্নয়ন সমাজবিজ্ঞানী ও নীতি গবেষক

যোগাযোগ করুন

গবেষণায় সহযোগিতা, পরামর্শমূলক কাজ, শিক্ষকতা, সম্পাদনার অনুরোধ কিংবা কোনো প্রকাশনা নিয়ে প্রশ্ন — যেকোনো বিষয়ে। আপনি কী নিয়ে কাজ করছেন এবং সেটি কার জন্য, জানালে আমি উত্তর দেব।

  • ইমেইল

    প্রথম যোগাযোগের জন্য সবচেয়ে ভালো, আর সঙ্গে কোনো নথি থাকলে — কার্যপরিধি, খসড়া বা ধারণাপত্র — তার জন্যও।

    shakhawatali1965@gmail.com
  • হোয়াটসঅ্যাপ

    ছোট কোনো প্রশ্ন, কিংবা কথা বলার সময় ঠিক করার জন্য।

    মেসেজ পাঠান

বার্তা পাঠান

হোয়াটসঅ্যাপ খুলে আপনার বার্তা পাঠানোর জন্য তৈরি রাখে। এই সাইটে কিছুই জমা থাকে না।

প্রথম বার্তায় যা লিখবেন

  • আপনি কে, এবং কোন প্রতিষ্ঠান বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লিখছেন।
  • যে প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন, কিংবা কাজটি যে সিদ্ধান্তে সাহায্য করবে — এক-দুই বাক্যে।
  • আপনি কী চাইছেন — সমীক্ষা, পর্যালোচনা, মূল্যায়ন, বক্তৃতা বা মতামত — এবং সময়সীমা।
  • এ নিয়ে আগে থেকে লেখা কিছু থাকলে — কার্যপরিধি, ধারণাপত্র বা আগের কোনো প্রতিবেদন।

প্রশ্নোত্তর

লেখার আগে মানুষ যা জানতে চান

আপনি কী কী বিষয়ে কাজ করেন?

তিন দশক ধরে চারটি ক্ষেত্রে: শিক্ষা নীতি ও বিদ্যালয় পরিচালনা; সামাজিক সুরক্ষা ও দারিদ্র্য; স্থানীয় শাসন ও নাগরিক সমাজ; এবং মোবাইল আর্থিক সেবা ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি। সব ক্ষেত্রেই পদ্ধতি এক — গুণগত, মাঠভিত্তিক গবেষণা ও মূল্যায়ন, যা এমনভাবে লেখা হয় যাতে নীতিতে কাজে লাগে।

কী কী বিষয়ে যোগাযোগ করতে পারি?

গবেষণায় সহযোগিতা, নীতি ও পরামর্শমূলক কাজ, মূল্যায়ন, অতিথি বক্তৃতা ও শিক্ষকতা, সম্পাদনার কাজ, এবং বক্তব্য বা মতামতের অনুরোধ। আপনি কী জানতে বা কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে চান এবং সেটি কার জন্য — এটুকু লিখলেই আলাপ শুরু করা যায়।

কোন কোন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করেছেন?

গবেষক হিসেবে: পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি), ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, ব্র্যাক ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট, উন্নয়ন সমন্বয়, গ্রামীণ ট্রাস্ট ও গণসাহায্য সংস্থা। ডিএফআইডি/এফসিডিও, বিশ্বব্যাংক, সিডা, সুইস ও নেদারল্যান্ডস দূতাবাস, কানাডীয় হাইকমিশন, ইউএনডিপি, ইউনিসেফ ও ইউনেসকোর অর্থায়িত সমীক্ষায়; এবং সেভ দ্য চিলড্রেন, অ্যাকশনএইড, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল ও নেটজ বাংলাদেশের জন্য। ডিজিটাল আর্থিক সেবায়: নগদ এবং বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন।

মোবাইল আর্থিক সেবা নিয়ে আপনার কাজ কী?

একটি গ্রন্থ এবং পরামর্শমূলক কাজের একটি ধারা। গ্রন্থটি হলো ‘মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ইন বাংলাদেশ: অ্যাচিভমেন্ট, অপরচুনিটি অ্যান্ড চ্যালেঞ্জ’ (রিভারসাইড প্রেস, ২০১৭) — খাতটির প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবন্ধকতা, আন্তঃলেনদেন ব্যবস্থা ও ভোক্তা সুরক্ষা নিয়ে। নগদের ম্যানেজমেন্ট বোর্ডে দায়িত্ব পালন করেছি, আর ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা মানুষের জন্য মোবাইল আর্থিক সেবা ও ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামোর সম্প্রসারণ নিয়ে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনকে পরামর্শ দিই।

আপনার প্রকাশনাগুলো কোথায় পাব?

প্রকাশনা পাতায় সবকিছুর পূর্ণ তালিকা আছে — আটটি গ্রন্থ ও সম্পাদিত সংকলন, চারটি গ্রন্থ-অধ্যায়, দুটি জার্নাল প্রবন্ধ এবং নয়টি নীতিপত্র, মনোগ্রাফ ও ওয়ার্কিং পেপার — এমএলএ রীতিতে; তার পরে আছে আমার প্রবন্ধ, কবিতা ও পত্রিকার কলাম। কোনোটি খুঁজে না পেলে আমাকে লিখুন।

জ্ঞানমেলা কী?

জ্ঞানমেলা এমন একটি ধারণা, যা আমি ২০০০ সালে বাংলাদেশে প্রবর্তন করি। এটি জননীতি গবেষণাকে সাধারণ নাগরিকের কাছে উন্মুক্ত করার একটি উপায়: যা সাধারণত গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ভেতরেই আলোচিত হয়, তা যাঁদের নিয়ে গবেষণা তাঁদের সামনে নিয়ে আসা — যাতে একাডেমিক কাজ আর তৃণমূলের অভিজ্ঞতা মিলতে পারে।

আপনি বাংলায় কাজ করেন, নাকি ইংরেজিতে?

দুটোতেই। বাংলা ও ইংরেজি — দুই ভাষাতেই লিখি, পড়াই ও প্রকাশ করি; প্রতিবেদন বা বক্তৃতা যেকোনোটিতেই হতে পারে।

আপনি কোথায় থাকেন?

ঢাকার গুলশানে। তবে গবেষণার কাজ হয়েছে সারা বাংলাদেশে — উপজেলায়, বিদ্যালয়ে, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের চরে — এবং ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিদেশের সহযোগীদের সঙ্গেও।